স্টাফ রিপোর্টারঃ- বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাংস্কৃতিক কর্মী'রা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য চিত্র নায়ক আলমগীরের নেতৃত্বে
ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আজ বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট শাহবাগ থানা নেতৃবৃন্দের সাথে সেগুনবাগিচা অস্থায়ী কার্যালয় অস্থায়ী কার্যালয় শোক দিবসের কর্মসূচির পালনের মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, অরুন সরকার রানা।
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যখন রাজনৈতিক তৎপরতার নিষিদ্ধ ছিল সেই দুঃসময় দুর্দিনে আলমগীর কুমকুম, খ্যাতিমান অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী, চিএনায়ক আলমগীর, নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের যাত্রা শুরু হয়েছিল জীবনের ত্যাগকরে সেই সময় এই সংগঠন টি গঠন করেছি আজ ৪৪ বছর পার করেছে।
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের অনেক ইতিহাস আছে। যা সেই ইতিহাসের কথা নব্য আওয়ামী লীগ'রা জানেনা। এর কারন তাঁরা কোনদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে ছিল না। তাঁরা আওয়ামী লীগের দুঃসময়ও দেখেনি। এখন সুসময় দেখেছেন। আর সুবিধা লুটছে।
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, অরুন সরকার রানা
নব্য আওয়ামী লীগার"দের থেকে সাবধান থাকতে হবে, মন্তব্য করে বলেন। নব্য আওয়ামী লীগা'র মুখোশধারী এরা লেবাসধারী, সুযোগ সন্ধানী, যেমন বসন্তকাল আসলে কোকিলের অভাব হয় না। আবার, বসন্ত চলে গেলে, কোকিলে'রা থাকে না। ঠিক এমনটায় কৌশল খাটিয়ে দলের মধ্যে ঢুকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে তিলে, তিলে, ধ্বংস করে, দিচ্ছে এবং সুযোগ পেলেই, আওয়ামী লীগ দলের ক্ষতি করছে। এক সময় শোক দিবসের দিন চলচ্চিত্র ওর নাট্যাঙ্গনের শিল্পীদের খুব একটা দেখা চেতোনা কয়েকজন শিল্পী আছে। যারা দলের লেবাস লাগিয়ে সরকারের সাথেই আঁতাত করে চলেছে। এসব ধরনের হাইব্রিড নব্য আওয়ামী লীগা'র থেকে সাবধান থাকতে হবে।
দেখা যাচ্ছে বর্তমান সময়ে চলচ্চিত্র ও নাট্যাঙ্গনে লেবাসধারী, ভরে গেছে। নব্য আওয়ামী লীগার'দের চামচামির কাছে আজ স্বাধীনতার মহানায়ক পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত আদর্শগত সৈনিকে'রা বড়ো অসহায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদিকে দিন দিন ত্যাগী নেতাকর্মীদের অভাব হয়ে পড়েছে দলের মধ্যে। তিনি আরও মন্তব্য করে অরুন সরকার রানা বলেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের উদ্দেশ্যে তুলে ধরেন।
নাট্য, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত শিল্পীদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সকল সাংস্কৃতিক কর্মীদের চিত্র নায়ক আলমগীরের নেতৃত্বে ঐক্য বদ্ধ হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা'র উন্নয়ন কর্মকান্ডকে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে আলোচনা শেষ করেন তিনি।
