নিজস্ব প্রতিবেদকঃ- মুজিব আদর্শের একজন সৈনিক বাংলাদেশ সরকার মানবতার-মা জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড হিসেবে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, তাঁর রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অগ্নিপুরুষ ক্লান্তিহীন পথচলায় আওয়ামী লীগের দুর্দিন, দুঃসময়ের কান্ডারী ও ত্যাগী নেতার, পরিবারকে মূল্যায়ন করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে চিরকৃতজ্ঞতা জানান তাঁর পরিবার।
এই দেশে বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে, স্বাধীনতার বাংলাদেশ সৃষ্টি হতো না। ৭১’র পরাজয়ের প্রতিশোধ নেয়ার জন্যই ৭১’র ঘাতক'রা ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে ও তাঁর পরিবারকে হত্যা করেছিল। সেদিন, ১৫-আগস্ট বাঙালি জাতির জীবনে একটি ভয়ানক কলঙ্কময় অধ্যায়। বাঙালি জাতি কখনো বঙ্গবন্ধুর ঋণ শোধ করতে পারবে না। এ দেশে জঙ্গীবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টির মূলত হোতা ছিলেন, বিএনপি তথা জিয়া, ও নিঃসন্দেহে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সাথে জড়িত ছিলেন। বলেও মন্তব্য করেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা। যারা পর্দার অন্তরালে বঙ্গবন্ধুসহ তাঁর সপরিবারের হত্যার সাথে জড়িত ছিলেন। ওদের সকলকে আইনের আওতায় এনে, দ্রুত বিচার হওয়া দরকার।
তিনি বলেন বিএনপি একটি অবৈধ রাজনৈতিক দল। জিয়াউর রহমান ছিল অবৈধ রাষ্ট্রপতি। জিয়ার অবৈধ বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে, যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। একটি ভয়ানক সাম্প্রদায়িক শক্তির জন্ম দিয়েছিল। এরপরে জিয়া রহমানের সহধর্মিণী ছদ্মবেশধারী কালনাগিনী অবৈধ, বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছিলেন। ঠিক একই কাজ করেছিলেন খুনি জিয়াউর রহমানের মতোই | ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর কন্যা: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর ছেলে তারেক রহমান। বিদেশে বসে আজও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।
বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে চিরতরের জন্য ধ্বংস করে দিতে। কিন্তু হত্যা করতে বারবার তাঁরা ব্যাথ্য হয়েছেন। ওরা স্বাধীনতার গণতন্ত্র আইনের শাসনকে হত্যা করেছিলেন। আজও গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছেন। আওয়ামী লীগ, সভাপতি ও উন্নয়নের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কমিটির নেতৃবৃন্দ সহযোদ্ধাদের কাছেও তিনি অতিপ্রিয় ভালোবাসার একজন, আওয়ামী লীগের দুর্দিনেও রাজপথ কাপিয়ে বেড়িয়েছেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের এই নয়নমনি নেতা। স্বাধীনতার ঘোষক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যখন রাজনৈতিক তৎপরতার নিষিদ্ধ ছিল। সেই দুঃসময় চলচ্চিত্র নায়ক অভিনেতা আলমগীর কুমকুম, অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী'র নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। সেই সময়ের সংগঠনটি, গঠনের প্রায় ৪৪ বছর পার করেছে। ওইদিন থেকে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট নেতৃবৃন্দের একটাই উদ্দেশ্য ছিল,
উন্নয়নের রাষ্ট্রনায়ক মানবতার-মা, জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকার, বৈঠা শক্ত হাতে ব্যাপকভাবে দলকে শক্তিশালী করতে মুজিব আদর্শের সৈনিক হিসেবে, সাংস্কৃতিক জোট নেতাকর্মীদের দূর্দশা ঘোচাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান দিয়ে আসছেন। আজও অরুন সরকার রানা।
