নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের অন্যান্য স্থানের ন্যায় আগামী ২৮ নভেম্বর ২০২১ ইং তারিখ রাজশাহীর পবা উপজেলার সকল ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে ৫নং হড়গ্রাম ইউনিয়নে নৌকার মাঝি হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক হোসেন মাস্টার। যোগ্য ব্যক্তি ফারুক মাস্টারকে মনোনয়ন দেয়ায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত জনগণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান। সেইসাথে ফারুক মাস্টারকে ভালাবাসয় সিক্ত করেন জনগণ।
মাস্টাকে নৌকার মাঝি করার ক্ষিপ্ত হয়েছেন কিছু ক্ষমতা লোভি অল্পবিদ্যা ভয়ংকারী কিছু নেতা। তারা ফারুক মাস্টারকে নিয়ে নানা ধরনের গুজব ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে বেড়াচ্ছে। সেইসাথে তাঁর বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে কুচক্রী মহলের এই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন মানুষ গড়ার কারিগর ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক ফারুক হোসেন মাস্টার।
ইউনিয়নের একাধিক ব্যক্তি বলেন, তিনি হড়গ্রাম ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে মাঠে কাজ এবং অসহায় মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। করোনার দূর্দিনেও তিনি সকলের পাশে ছিলেন। আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ এই নেতা ইউনিয়নের বিভিন্ন গোরস্থান, মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও ঈদগাহসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়েনর জন্য তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। তার অক্লান্ত পরিশ্রমের কাশিয়াডাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা ভবন র্নিমানের কাজটি এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে স্কুলটির অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে বলে জানান তারা।
এলাকাবাসী আরো বলেন, অত্র ইউনিয়নের ১. ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডকে তিনি মাদক মুক্ত করেছেন। দূর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বদা রুখে দাঁড়িয়েছেন। অত্র ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য দিনরাত তিন মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর এই সমস্ত কাজ এবং এক শিক্ষিত ও মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে ইউনিয়নবাসীও তাঁকে আগামীতে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চান তারা।
এলাকাবাসী বলেন, তাঁর সুনাম কে নষ্ট করার জন্য একটি কুচক্রি মহল মরিয়া হয়ে উঠেছে। কাশিয়াডাঙ্গা বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী বাসিন্দারা জানান, স্কুলের দুই ফিট প্রাচীর ছিল এবং আটটি মতো গাছ ছিলো সেখানে। এই প্রাচীরের জন্য যাতায়াতের কষ্ট হওয়ায় এলাকাবাসী যাতায়াতের সুবিধার্থে প্রাচীর টি ভেঙ্গে দেন। কিছু দিন পূর্বে চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, মেম্বর আনোয়ার ও দুই নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মিলে প্রাচীরটি পূণরায় তৈরী করে দেন। এতে ৩০ টি পরিবারের লোকজন যাতায়াতে সমস্যায় পড়েন।
এই নিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যানকে জানালেও তিনি বিষয় টি আমলে নেয়নি। উল্টো গ্রাম বাসীকে মামলায় জড়ান। আর সে সময়ে কাশিয়াডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ছিলেন মুনসুর আলী আরিফ। ওসি মামলা নেন এবং কয়েক জনকে আটক করে। তাদের জেলও খাটতে হয়। ভুক্তভোগি আজগর বলেন, এলাকা বাসির চলাচলের জন্যও প্রাচীর ভেঙ্গেছে। এই বিষয়টি নিয়ে আমাদেরকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে একটি মহল। আরেক ভূক্তভোগি রানা বলেন, দীর্ঘদিন যাবত একটি মহল সিমানা প্রাচীর নিয়ে ষড়যন্ত্র চালাছেন। নিরিহ গ্রামবাসীকে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করেছে অনেক বার। এ বিষয়টি নিয়ে তারা পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন এর নিকট যান এবং বিষয়টি সম্পর্কে তাঁকে খুলে বলেন। সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গার কারন সংসদ সদস্যকে বুঝাতে সক্ষম হন।
সংসদ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়ে তাদের পক্ষেই কথা বলে জানানা তারা। আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ট সূত্র মতে জানা যায় আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী হয়েছেন ফারুক হোসেন মাস্টার। ষড়যন্ত্র বিষয়ে ফারুক হোসেন বলেন, ছাত্রলীগ দিয়ে আমার রাজনীতি শুরু। ২০১৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর হয়ে একনিষ্ট ভাবে কাজ করেছি। ২০১৬ সালের স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে এবং ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ২০১৯ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে নিরলসভাবে কাজ করেছি। একটি কুচক্রি মহল প্রাচীর ভাঙ্গা নিয়ে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, তিনি তা জানতেন না।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাঁকে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। সেইসাথে সখল দ্বিধাদন্দ ভূলে নৌকায় ভোট প্রদান করে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং পবা-মোহনপুরের সংসদ সদস্য জননেতা আয়েন উদ্দিনের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য ইউনিয়নবাসী তথা সকল ভোটারদের অনুরোধ করেন তিনি। সেইসাথে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র না করে দলের স্বার্থে এবং ইউনিয়নের উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করার জন্য দলীয় নেতৃবৃন্দদের অনুরোধ করেন ফারুক মাস্টার।