দৌলতপুর (কুষ্টিয়া)প্রতিনিধিঃ আজ কাল পেপার খুললেই চোখে পরে অমুক পীরের পানি পরা দিয়ে অসুক ভাল হয়ে গেছে। এসব ঘটনা কি সত্য বলে মনে হয়,আপনাদের?
যদি তাই হত তাহলে এত ওষুধ কোথায় যায়।ফার্মেসী গুলোয় এত ভির থাকে কেন? প্রশ্ন প্রিয় পাঠক আপনাদের কাছে।
বাংলাদেশের একজন ভাল আলেম,রাজনৈতিক বিদ,ও ইসলামিক বক্তা ছিলেন, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানি।
আমি যত টুকু তার সম্পর্কে জানি তার কাছে যদি কেও পানি পরাতে যেত সে পানি পরার পাশাপাশি ওষুধ খাওয়ার ও পরামর্শ দিতেন।আল্লাহর নামে যে মানুষের অসুখ ভাল হয়না তা কিন্তু আমি বলছিনা,কারন সমস্ত চিকিৎসা, ও ওষুধ এর কথা পবিত্র কোর আনে বলা আছে। পৃথিবীতে এম
![]() |
ন কোন সমস্যা নাই যার সমাধান কোরানের বলা নাই।কিন্তু পবিত্র আল্লাহর নাম কালাম ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে যারা ব্যাবসা করে তাদের বিচার অবশ্যই আল্লাহ করবেন।
কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার কল্যাণ পুর এলাকায় এক পীরের আস্তানায় রাসেদ নামের (৩২)এক ভক্তকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়ে বলে জানা গেছে।এ ঘটনায় পীর সহ ৩৫ জনের নামে মামলা করা হয়েছে।বলে জানান নিহতের এক আত্তীয়।নিহত রাসেদ রিফায়েত পুর হরিণ গাছি গ্রামের আঃরাজ্জাক এর পুত্র। দৌলত পুর থানার পুলিশ ও নিহত রাসেদ এর পরিবার জানায় নিহত রাসেদ তছের উদ্দিনের আস্থানায় দীর্ঘদিন ধরে খাদেম হিসাবে নিযুক্ত ছিল।গত রবিবার মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা কে কেন্দ্র করে আস্থানার ভিতরে পীরের অন্য সদস্যরা রাসেদ কে পিটিয়ে মুমুর্ষ অবস্থায় ফেলে রাখে। পরে বিকেলে তাকে চিকিৎসার জন্য হসপিটালে নেওয়ার পথে সে মৃত্যু বরন করে এসময় পীরের ভক্তরা পুলিশ প্রশাসনের ভয়ে তাকে দৌলতপুর হসপিটালে না নিয়ে ভেরামারা নিয়ে যায়।এর মধ্যে নিহতের পরিবারের লোকজন ঠিক পেয়ে দৌলতপুর পুলিশকে জানালে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরন করেন। এবং নিহতের বাবা পীর তাছের সহ ৩৫ জনের নামে মামলা করেন।
নিহতের বাবা সাবেক মেম্বার আঃরাজ্জাকআরও জানান তাছের দীর্ঘদিন ধরে ভন্ড পীর সেজে মানুষ কে ধোকা দিয়ে আসছে।এবং মানুষকে ভক্ত বানিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করছে।আরও বলেন আমার ছেলের নামে মোবাইল চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।আসলে আমার ছেলে পীরের মি
ভন্ডামি দেখে ফেলায় তাকে সবাই মিলে হত্যা করেছে।দৌলতপুর থানার ওসি জনাব নাসির উদ্দীন জানান আস্থানা থেকে ৬জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরার জন্য অভিজান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান নিহতের পিতা বাদি ২০ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত প্রায় ২৫ জনের নামে মামলা করেছে।তিনি বলে গ্রেফতার কৃত আসামিরা রাশেদ কে পিটিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। আমি গ্রেফতার কৃত আসামিদের আদালতে প্রেরন করবো আদালত আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন। রাসেদ এর এলাকা বাসির দাবি রাসেদের হত্যাকারীরা যেন কোন ভাবেই ছাড়া না পায়। তারা সকল আসামিদের গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করেন। আর যেন কোন বাবাকে সন্তান হারা ন্স হতে হয়।

